তোমায় হাজার বার চেষ্টা করেও বিশ্বাস করাতে পারলাম

তোমায় হাজার বার চেষ্টা করেও বিশ্বাস করাতে পারলাম

তোমায় হাজার বার চেষ্টা করেও বিশ্বাস করাতে পারলাম , তুর্য আমাকে এতোটাও অবহেলা করে না,

যতোটা আমি ধারণা করি। উনার মনের কোনো এক কোণায় আমার জন্য চিন্তা কাজ করে। হয়তো কিছু

সময় তার অবহেলা সহ্য করলেও একদিন না একদিন সে আমাকে ভালোবাসবে। এসব চিন্তা করছিলাম,

তখনই গাড়িতে স্বজোরে ব্রেক কষলেন তুর্য। বেখেয়ালে থাকায় সামনের দিকে ঝুঁকে কপালে হালকা ব্যথা পেয়েছি।

কিন্তু উনাকে বললে আবার বকা দেবেন, তাই চুপচাপ নিজেকে ঠিকঠাক করে নিলাম। গাড়ি একটা হাসপাতালের সামনে ।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ logicalnewz.com

তোমায় হাজার বার চেষ্টা করেও বিশ্বাস করাতে পারলাম

ইতোমধ্যে হাসপাতালের নিচেও পৌঁছে গেছেন। আমাকে কড়া গলায় আদেশ করে গেছেন যাতে গাড়ি

থেকে এক পা ও বাইরে না দেই। কিন্তু তুর্য হসপিটালে কেনো এসেছে জানার তীব্র ইচ্ছা কাজ করছে।

যাবো না যাবো না করেও কৌতুহল মনকে থামাতে না পেরে উনার পিছু পিছু হসপিটালে ঢুকে গেলাম।

তুর্য বেশিদূর আগাতে পারে নি, তার আগেই আমি তাকে দেখেছি। তুর্যর পিছু পিছু একটা কেবিনে ঢুকে পরলাম।

যতোটা বোকা আমাকে দেখতে আমি কিন্তু ততোটাও বোকা না হুহ। খুব সাবধানে নিজেকে উনার দৃষ্টির

আড়াল করেছি। উনি যেই কেবিনে ঢুকেছিলেন সেখানে ঢুকতেই আমার চোখ ছানাবড়া!
তুর্যর বন্ধু

নিলয় ভাইয়া হাত পায়ে বিশাল বিশাল ব্যান্ডেজ নিয়ে

কুপোকাত হয়ে পরে আছেন। দেখে মনে হচ্ছে গনধোলাই এর স্বীকার হয়েছেন। কিন্তু ভাববার বিষয় হলো,

কাল রাতে নিলয় ভাইয়া একদম সুস্থ ছিলেন। তবে এক রাতের মধ্যে কি এমন হলো যে তার এই অবস্থা!

অনেক চেষ্টা করেও ছোট্ট মাথায় কিছুই ঢুকাতে না পেরে সেখান থেকে চলে আসছিলাম। পিছন

থেকে নিলয় ভাইয়া কাঁপা কাঁপা কন্ঠে আমার নাম ডেকে উঠলেন।কাল রাতে তুমি আর আমি ডান্স করছিলাম,

তোমায় হাজার বার চেষ্টা করেও বিশ্বাস করাতে

হঠাতই তুমি আমার কোলে ঢলে পরো। আশেপাশে কেউ ছিল না যার কাছে থেকে সাহায্য নেওয়া যেতো।

এজন্য আমিই তোমাকে পাঁজাকোলে তুলে উপরে একটা রুমে নিয়ে শুইয়ে দেই। নিলয়ের কথা শুনে মনে হচ্ছে যে,

সে কোনো একটা মুভির কাহিনী টেনে ছিড়ে আমাকে শোনাচ্ছে। কারণ এমন কিছু হয়েছে বলে আমার একদমই মনে পরছে না।

রাতে যখন তুর্য আমাকে বেঁধে রেখেছিলেন তখন তো আমি স্বজ্ঞানে ছিলাম, তাহলে নিলয় এসব কি বলছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *