আমার সাথে থাকতে কি তোর বিরক্তি লাগে যখনই

আমার সাথে থাকতে কি তোর বিরক্তি লাগে যখনই

আমার সাথে থাকতে কি তোর বিরক্তি লাগে যখনই, কাছে আসি তখনই দূরে যাওয়ার ফন্দি আটিস।

নাকি অন্য কেউ কাছে এলে তোর ভালো লাগে। কোনটা? আমার সাথে খারাপ লাগে নাকি অন্য কারো

সাথে ভালো লাগে। কেনো দূরে যেতে চাস বারবার? কি সমস্যা তোর? বল কেন দূরে যেতে চাস?

আমার দুই বাহু ধরে ঝাকিয়ে কথাগুলো বললেন তুর্য আপনি এসব কি বলছেন? আপনি আমাকে ব্যথা দিচ্ছেন।

কাল রাতে এতো নির্মমভাবে মারার পরও আপনার মন শান্ত হয়নি? আমার সারা শরীরে ব্যথা করছে।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ logicalnewz.com

আমার সাথে থাকতে কি তোর বিরক্তি লাগে যখনই

হঠাৎ তুর্য কিছু একটা খেয়াল করে আমার হাত ছেড়ে দিলেন। ওনার চোখ মুখ দেখে মনে হলো হঠাৎ করেই উনি

অন্য কোনো খেয়ালে চলে গেছেন। আমি পুনরায় কিছু বলার আগেই তুর্য আমার হাত ধরে তার ঘর থেকে

বের করে দিয়ে, ঠাস্ করে ঘরের দরজা লাগিয়ে দিলেন। আমি বেকুবের মতো বন্ধ দরজার দিকে তাকিয়ে বোঝার

চেষ্টা করছি হলো টা কি উত্তর না পেয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সেখান থেকে চলে এলাম। পরবর্তী অংশ অর্থা

ৎ সবগুলো পর্ব এই তে দেয়া হবে, পুরো গল্পটি পড়তে রিকুয়েস্ট দিয়ে সাথেই থাকুন। ভালো ভালো গল্প

পেতে এই আইডির থাকুন অনেক সময় গ্রুপে গল্প পোস্ট হয় না। তাই গ্রুপে গল্প পেতে সমস্যা হলে ফলো

অথবা রিকুয়েস্ট দিয়ে রাখতে পারেন ধন্যবাদ। বড় বাবা কিছু জরুরি কাজে একদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন।

যাওয়ার আগে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অফিসে

পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমার হাতে দিয়ে গেছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অফিস অনেক দূরে আর একা এতোদূর

কখনও যাই নি আমি। আগে তো কলেজেও তাফসির সাথে যেতাম কিন্তু আজকে তাফসি বিয়ের শপিং

এর জন্য গেছে। গালে হাত দিয়ে সোফায় বসে বসে ভাবছিলাম কি করা যায়, তখনই দেখলাম তুর্য তৈরি হয়ে

গাড়ির চাবি হাতে বেরুচ্ছেন। আচ্ছা আমি যদি তুর্যকে একটু রিকুয়েষ্ট করি তবে কি সে আমাকে অফিসে

পৌঁছে দেবেন? নাকি প্রতিবার যেমন করে এবারও তেমনই করবেন? কিছুক্ষণ ভেবে চট করে উঠে পরলাম।

তুর্যর ঠিক সামনে গিয়ে বললাম, আপনি কি বাইরে যাচ্ছেন?গাড়ির চাবিটা আঙুলে ঘুরাতে ঘুরাতে

তুর্য আমার দিকে তাকালেন, এখন কি তোর কাছে অনুমতি নিয়ে আমার বের হতে হবে?
আমি কি

আমার সাথে থাকতে কি তোর বিরক্তি লাগে যখনই

সেটা বলেছি? শুধু জিজ্ঞেস করেছিলাম কারণ আমার একটু বাইরে যেতে হবে। তো যা বাইরে। আমি কি তোর হাত পা বেঁধে রেখেছি? সব সময় উল্টো কথা না বললে কি হয় না? আমাকে একটু বড় বাবার অফিসে নামিয়ে দিয়ে আসতে পারবেন?

আমাকে কি তোর ড্রাইভার মনে হয় নাকি আমি ভারায় ট্যাক্সি চালাই? কোনটা? অনুরোধ করছি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই।

তুর্য কিছুক্ষণ চুপ থেকে পুনরায় বলতে শুরু করলেন, অফিসে তোর কি কাজ? বড় বাবার অনেক ইমপোর্ট্যান্ট একটা ফাইল ম্যানেজার আঙ্কেলের কাছে দিতে হবে।

তা বাবা এটা তোকে কেনো বললো? অন্য কাউকে বললেই তো হতো। আর কাকে বলবে? আপনি তো অফিসে যান না, আর তাফসিও বাসায় নেই। বড় মা একটু পরে তার বান্ধবীদের সাথে বেরুবেন। রইলাম বাকি আমি! তাই আমাকে বলেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *