আমাকে ডাকতে থাকেন আর বলতে থাকেন এই সব কি

আমাকে ডাকতে থাকেন আর বলতে থাকেন এই সব কি

আমাকে ডাকতে থাকেন আর বলতে থাকেন এই সব কি, ডিভোর্স লেটারটা বাবার হাতে পরতেই বাবা

মা মরছে এখনো ১৫ দিন হয় নাই, এর আগেই তোরে ডিভোর্স দিছে?ও ভাবছেটা কি?। আমার আগেই সন্দেহ হইছিলো,

খালি যখন ওর মা আইসা বিয়া ঠিক করে গেছে। তোর মা তো খালি লাফাইছে, পোলা ভালা পোলা ভালা কইয়া

এখন যে তোর জীবনটা নষ্ট কইরা দিলো। ততক্ষণে আমার ভাবি রান্না ঘর থেকে দৌড়ে আসে। এসেই বলতে থাকে

এতো ভালা ভাবছিলাম আর তার ভিতরে ভিতরে এই, মার পছন্দে বিয়া কইরা এখন মা মরতেই ডিভোর্স দিয়া দিছে।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ logicalnewz.com

আমাকে ডাকতে থাকেন আর বলতে থাকেন এই সব কি

এখন মা মইরা গেছে গা আর বউ ডিভোর্স দিয়া দিছে। আমি শুধুই অভিনয়ের কান্না করতে থাকি।

ভাবী আমার মাথায় হাত দিয়ে বলতে থাকে কান্দিস না আমরা আছি না, কাঁদতে হইব না তোর। আমরাই তোরে

দেইখা রাখমু। আমি শুধুই অভিনয়ের কান্নাকাটি করে নিজের ঘরে এসে দরজা দিয়ে বসে থাকি।

আর ভাবতে থাকি। সব কিছু তো আমার কারনেই হয়েছে, সব দোষ তো আমার, ওনার তো কোনো দোষ

নেই৷আমার পরিবারের সবার কাছে উনি এতো প্রিয় ছিলো। আর আজকে সবাই ওনাকে নিয়ে কতো খারাপ

মন্তব্য করতেছে৷ সব কিছুতে তো আমারই দোষ। এখন যদি গিয়ে আমি আমার দোষের কথা বলি আব্বা

আমাকে আস্ত রাখবেন না। আমি ওই দিন রাতে বয়ফ্রেন্ড কে ফোন দিয়ে ডিভোর্স এর কথা জানাতেই ও

যেনো চমকে উঠে, আর বলতে থাকে, কি বলো এই সব ফাজলামো বন্ধ কর, ডিভোর্স দিছে বললেই হয়ে গেলো

আমি বলি হ্যা মোহরানার সব টাকা আগেই পরিশোধ

করা ছিলো। বিয়ের দিনই দিয়ে দিছিলো, তাই সমস্যা হয় নাই। ও বলে তবে এখন কি করবো। আমি বলি

তুমি এবার তোমার বাসায় জানাও। সে উওর দেয় কি বলছ তুমি বাসায় জানালেই হবে নাকি? আমার বাড়িতে

রাজি বেনা,আর তাছাড়া ডিভোর্সি মেয়ে কি ভালো। আমি বলি কি বলতে চাও তুমি? ডিভোর্সি মেয়ে ভালো না

মানে আমি কি করছি? তোমার কথা মতোই তো আমি আমার স্বামীর সংসার ছেড়ে আসছি এবার তুমি

তোমার বাড়িতে জানাও সে বলে এটা কোনোদিন ই সম্ভব না,আমি পারবো না।আর তুমি যদি আমাকে বিয়ে

করতে চাও তবে পালিয়ে বিয়ে করতে হবে। আমি বলি পালিয়ে বিয়ে করবো কেনো? এতোদিন তো আমাকে

আমাকে ডাকতে থাকেন আর বলতে থাকেন এই সব কি

জ্বালিয়ে মারছ খালি ডিভোর্স আর ডিভোর্স। এখন এই কথা বলতেছো কেনো? আমি ওতো কিছু বুঝি না৷ তুমি কবে আমাকে বিয়ে করবে সেটা বলো। সে বলে ইসলামি শরিয়ত তো বলে

মেয়েদের ডিভোর্স হলে ৪ মাস (ফিকহের মাসায়ালাতে এটাকে তিন তুহুর ও বলা হয়,যদি এটা অনেক দিন আগে পড়েছিলাম যদি ভুল হয়ে থাকে আমাকে বলে দিবেন দয়া করে) ইদ্দত পালন করতে হয়।

ঐ কয়টা দিন আগে শেষ হোক তারপর বলি আমি বলি আমার সেটা প্রয়োজন নেই, ঐটা প্রেগনেন্সি সিওর হওয়ার জন্য,আর আমাদের এমন কোনো সম্পর্কই ছিলনা যে, আমার বাবু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে বলে, তুমি বললেই হলো, একসাথে ২ মাস থাকছো কতো কিছুই তো হতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *