সুখ মনে হচ্ছিল উপরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে

সুখ মনে হচ্ছিল উপরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে

 সুখ মনে হচ্ছিল উপরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে, আমি জানি আমার বিয়ের পর থেকে আমার মা কেমন বদলে গেছে।

আমাকে আগের মত তোমার বুকে টেনে নাও। অফিস থেকে অন্য কিছু বলা আমার পক্ষে খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।

সে যায় না। মাহিমের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর হলো। আমার একটি সাত মাসের ছেলেও আছে।

আমার স্ত্রী শান্তা। যদিও তার নাম শান্ত, সে অসম্ভব একগুঁয়ে ঠোঁটের মেয়ে। যেন আমি মা এবং স্ত্রীর সাথে ভালো আছি।

কিন্তু বিয়ের পর তাকে একটু বেশি সময় দিন। শান্তা কিছুদিনের মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়েন। এজন্য আমি তাকে আরো সময় দিই।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ logicalnewz.com

সুখ মনে হচ্ছিল উপরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে

আমার মা শান্তাকে তার নিজের মেয়ে হিসেবে দেখে। তিনি যা খেতে পছন্দ করেন তা হল তার নিজের রান্না।

শান্তা সবসময় মায়ের কষ্টের কথা বলতেন। তাকে বড় করার জন্য তার মা কত সংগ্রাম করছে। যখন একটি মেয়ে সচেতন হয়,

সে তার মায়ের কষ্ট বুঝতে পারে। একটা ছেলে এটা বুঝবে না। সাতাশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু শান্তা আমার মাকে একদমই দাঁড়াতে পারেনি।

আমার সাথে কথা বললেও শান্তাকে ফোন করে রুমে নিয়ে যেত। আমি তাদের একসাথে খেতে দিতাম না।

আমি বাসায় মাকে বাসি খাবার খেতে দিতাম। ছেলের সুখের জন্য মা চুপচাপ শুনতেন। এমনকি মাও আমার সামনে একেবারেই আসে না।

আমার মা একজন ধার্মিক, শান্ত মেয়ে। আল্লাহ দিয়েছেন। আমি যদি শান্তাকে কিছু বলি, সে তার ছেলেকে ছেড়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার হুমকি দিত।

তার বাচ্চা কেমন হবে তা নিয়ে আমি চুপ ছিলাম। আমি আমার ছেলেকে আমার কোলে নিতে দেব না।

মেয়ের জন্য আমার মায়ের যত্নও নিচ্ছি

ইদানীং শান্তা অতিরিক্ত কাজ করছেন। সে তার মাকে বলে তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে যেতে।একদিন আমি

বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে তাদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলে একটি রুম ঠিক করে দিলাম। আমি একজন কর্মজীবী

আমার মা যাতে কোন ঝামেলায় না পড়েন সেজন্য আমি সব ব্যবস্থা করেছি। অবশেষে আমি আমার মাকে

একটি নার্সিংহোমে রেখে গেলাম। যখন আমি বাড়ি ফিরেছিলাম, পুরো ঘর অন্ধকার এবং খালি দেখাচ্ছিল।

একটা শান্ত হাসি লক্ষ্য করলাম

সুখ মনে হচ্ছিল উপরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। সে আমার শাশুড়িকে

ডেকে সুসংবাদ দিল। তোমার বাড়ি থেকে। তিনি আরো খুশি এবং সম্মত হন।আমি সকালে রেডি হয়ে

আমার লাগেজ গুছিয়ে আমার শাশুড়ির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।

এক ঘন্টার যাত্রা শেষে আমি ওদের বাড়ির গেটে আসলাম। চলে আসো. শান্তা বলল বাবুর সাথে যাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *