কিন্ত এই কথাটি শোনার পর আমার মাথায় যেন আকাশ

কিন্ত এই কথাটি শোনার পর আমার মাথায় যেন আকাশ

কিন্ত এই কথাটি শোনার পর আমার মাথায় যেন আকাশ , এতক্ষণ সবকিছু ঠিক ছিল পড়লো।

আমার কেন জানি মনে হলো, আমি আমার জীবন থেকে তানহাকে চিরকালের জন্য হারাতে চলেছি!

তানহাকে এনিয়ে কিছু বললামনা আমি। কারণ, আমার ধারণা ভুলও হতে পারে। ওকে বললাম, শোন,

কোন বাবা মা’ই তাঁর সন্তানের ক্ষতি হোক এমন কিছু করবেননা। তোমার বাবা-মাও না। আঙ্কেল যা করেছেন

ভালোর জন্যই করেছেন। প্লিজ তুমি এসব নিয়ে ভেবোনা। আর আমার সাথে তো তোমার এই এক

সপ্তাহ যোগাযোগ হবেই। তুমি আন্টির ফোন থেকে আমাকে মেসেজ পাঠিও। অসুবিধা নেই।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ logicalnewz.com

কিন্ত এই কথাটি শোনার পর আমার মাথায় যেন আকাশ

এবার ঘুমাও প্লিজ দুজনের জীবনের দিকে ধেঁয়ে আসতে থাকা সম্ভাব্য ঝড়ের কথা ওকে কিছুই বলিনি আমি।

এমনকি সেসব কিছু বুঝতেও দিইনি। আমি জানি, ঐসব ও জানলে যেকোন কিছু একটা করে বসতে পারে।

অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে ওকে ঘুমানোর জন্য রাজি করালাম। ও বুঝলো আমার কথা। ঘুমিয়ে পড়লো ও।

হুট করে আমার জীবনে এতবড় ঝড় নেমে আসবে তা ভাবিনি কখনো। আমার মন বলছিল তানহার বাবা ওর

অজান্তেই ওর বিয়ে ঠিক করে ফেলেছেন। এজন্যই উনি এক সপ্তাহের জন্য ওর থেকে ফোনটা নিয়ে নিয়েছেন।

এগুলো আমার মন বলছে। তবুও বারবার আমার অন্তরাত্মা বলে উঠছিলো, হে আল্লাহ্, আমার ধারণা যেন ভুল

প্রমাণিত হয়। এমনকিছু যেন না হয় যা ঘটলে আমাদের দুজনের জীবনই বরবাদ হয়ে যাবে। আমি প্রচণ্ড

কাঁদছিলাম তখন যেখানে স্বপ্নগুলো সবেমাত্র উড়তে

চাইছিল তখনি এভাবে স্বপ্নের ডানা ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। ওর কোন

ছবি আমার কাছে নেই। থাকার মাঝে, ওর দেয়া ডায়েরি আর কলম, চশমা আর ঘড়িটি আছে। রুমের লাইট

অন করলাম। ডায়েরিটা বের করলাম ব্যাগ থেকে। ঘড়ি আর চশমাটা সামনে রাখলাম। এগুলো

টেবিলের উপর রেখে পায়চারী করা শুরু করলাম এবার। ভাবতে লাগলাম আমি। কি করা যায় এখন একবার ভাবি,

আমি যা ভাবছি তা তো ভুলও হতে পারে। আবার ভাবছি, যদি ভুল না হয়ে যা ভেবেছি ঠিক তাই যদি হয় তখন কি

কিন্ত এই কথাটি শোনার পর আমার মাথায় যেন আকাশ

হবে আবার ভাবছি, যদি যা ভাবছি তাই হয় তাহলে তানহার কি হবে ও তো কখনোই ওর মনে আমার জায়গায় আর কাউকে বসাতে পারবেনা মরে যাবে ও। সবধরনের দুশ্চিন্তা এসে জড়ো হতে লাগলো আমার মাথায়।

পাগলের মতো হয়ে গেলাম আমি। টেবিল থেকে ওর দেয়া ঘড়িটি নিয়ে চুমু খেতে থাকলাম। চশমাটা নিয়েও চুমু খেলাম। ডায়েরিটা বুকে জড়িয়ে বিছানায় শুয়ে থাকি। এছাড়া, এখন আর আমার কি করার আছে! মাঝে মাঝে নিজেকে ভরসা দিই,

যা ভাবছিস তেমন কিছুই হবেনা। সব ঠিক হয়ে যাবে। আবার ভাবি, যে লোকটি ট্রান্সফারের এতো বড় একটি নাটক সাজাতে পারলো তাঁর পক্ষে মেয়ের ভবিষ্যতেের কথা চিন্তা করে বিয়ে ঠিক করে ফেলাটা তেমন বড় কোন বিষয় নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *